আপনার ইন্টারনেট থেকে তথ্য শেয়ার করা বা ব্যবহার করার আগে এগুলি করা উচিত

আজকে আমরা যে জগতে বসবাস করি সেখানে একটি বোতামের ক্লিকের মাধ্যমে প্রচুর পরিমাণে তথ্য পাওয়া যায় এবং উপলব্ধ আছে| কিন্তু, অনলাইনে উপলব্ধ সমস্ত তথ্য যথার্থ ও বিশ্বাসযোগ্য নয়| এই তথ্য অ্যাক্সেস, ব্যবহার, বা শেয়ার করার সময়, আপনার কিছু নির্দেশিকা অনুসরণ করা প্রয়োজন|

 

  • সর্বদা তথ্যের উৎস যাচাই করুন

অসংখ্য পৃষ্ঠা এবং সোর্স কর্তৃক অনলাইনে নকল তথ্য শেয়ার করার কারণে, তথ্যের উৎসটি বৈধ কিনা সেই বিষয়ে আপনার সুনিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন| বিশ্বাসযোগ্য উৎসের সাথে তথ্য প্রতিপরীক্ষা করে পৃষ্ঠার বৈধতা যাচাই করুন|

 

  • তথ্য ব্যবহার করার সময় দায়িত্ব সহকারে ক্রেডিট দিন

পিসি সক্রিয় শিক্ষণে তথ্য ব্যবহার করার সময় আপনাকে লেখকের কাজের উল্লেখ করে তাদের ক্রেডিট দেওয়া উচিত| যথোচিত ক্রেডিট দেওয়ার মাধ্যমে রচনাচুরি বর্জন করুন|

 

  • আপনার নিজের ভাষায় তথ্যের ভাষান্তর সম্পর্কে মনে রাখুন

আপনার প্রোজেক্ট, হোমওয়ার্ক, বা অ্যাসাইনমেন্টে তথ্য ব্যবহার করার সময়, আপনি প্রতিটি অক্ষর কপি করে, একই তথ্য ব্যবহার করতে পারেন না| আপনাকে অবশ্যই আপনার নিজের ভাষায় এটির ভাষান্তর করতে হবে|

 

  • যে লিঙ্কগুলি আসল মনে না হয় সেগুলি খুলবেন না

যদি কোনো লিঙ্ক আসল বা সহজসাধ্য মনে না হয় তাহলে এটি খুলবেন না|

 

শিক্ষণের জন্য পিসি ব্যবহার করার সময় লিঙ্কটি আসল কিনা টা যাচাই করার পদ্ধতি নিম্নে দেওয়া আছে:

  • ডোমেন নাম যত্নসহকারে যাচাই করুন কারণ সন্দেহজনক লিঙ্কগুলিতে নম্বর বা ভুল বানান থাকে|
  • লিঙ্কটির ওপরে হোভার করুন এবং খোলার আগে প্রিভিউ দেখুন|
  • কোনো পৃষ্ঠায় পপ-আপ বিজ্ঞাপন খুলবেন না|
  • Https সুরক্ষিত, http ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে|

 

  • কোনো একক উৎস থেকে আপনার সমস্ত তথ্য নেবেন না

আপনার প্রোজেক্ট, হোমওয়ার্ক, বা অ্যাসাইনমেন্টে কাজ করার সময়, সুনিশ্চিত করুন যে আপনি কোনো একক উৎস থেকে আপনার সমস্ত তথ্য নিচ্ছেন না| কোনো বিদিত, বোধগম্য মতামত প্রাপ্তির জন্য একাধিক উৎস থেকে তথ্য নিন|

নিম্নের এই টিপস অনুসরণ করার মাধ্যমে, আপনি দায়িত্বসহকারে এবং নির্ভরযোগ্যভাবে তথ্য শেয়ার করা সুনিশ্চিত করতে পারেন|



ডিজিটাল যুগে আমরা কিভাবে ছেলে/মেয়েদের অধিকার কে সবচেয়ে ভালোভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি?

ছেলে/মেয়েরা আজকাল আগের চাইতে অনেক বেশি ডিজিটাল জগতের সাথে উদ্ভাসিত হয় এবং তাদের অধিকাংশ সময় নতুন ধরনের প্রযুক্তির সাথে কেটে যাচ্ছে| ঘন্টার পর ঘণ্টা ল্যাপটপের সামনে বসে থাকা এবং ইন্টারনেট অ্যাক্সেস করা ছেলে/মেয়েদের জীবনের  অত্যাবশ্যক অংশ হয়ে উঠেছে| নতুন তথ্য শিখতে, সেগুলির সাথে অভিযোজিত হতে এবং সেগুলি আবিষ্কার করতে  ইন্টারনেট থেকে যতটা সাহায্য হয়, তবে ইন্টারনেটে 3 জন ব্যবহারকারীর মধ্যে 1 জন শিশু দেখা যাওয়ায় এটির থেকে ক্ষতিও হয়|

 

  • তাদের ইন্টারনেটে ব্যবহার পর্যবেক্ষণ করুন: আপনি কখনো আপনার ছেলে/মেয়েদের ডিজিটাল জগৎ থেকে সরাতে পারবেন না তবে তাদের ব্যবহারপ্রণালী ও তাদের দেখা সাইটগুলির পর্যবেক্ষণ করে ক্ষতি থেকে থেকে তাদের বাঁচাতে পারবেন| কিছু বিশিষ্ট ওয়েবসাইটে পেরেন্টাল লক রাখা এবং শিক্ষাগত উপযোগিতার বাইরে তাদের স্ক্রিনে কাটানো সময় সীমিত করা বাঞ্ছনীয়|

 

  • তাদের শিক্ষিত করুন: ইন্টারনেটের সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে আপনার ছেলে/মেয়েদের শিক্ষিত করা এবং তাদের কিছুটা বিশ্বাস দেওয়া তাদেরকে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জটিলতা বোঝায় অনেকটা সাহায্য করবে|  অনিশ্চিত হওয়ার পরিবর্তে তারা কিভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারে সেই সম্পর্কে তাদেরকে শিক্ষা দিন|

 

  • তাদেরকে সংগঠিত হতে সাহায্য করুন: ইন্টারনেটে জ্ঞানের সমুদ্র রয়েছে যেটি সামান্য সংগঠিত হওয়ার মাধ্যমে জয় করা যেতে পারে| আপনার বাচ্চাদের তাদের উপাদান সংগঠিত করায় সাহায্য করে এবং কিছু ভাল অভিমুখগুলি তাদের নিজেদের অন্বেষণ করার অনুমতি প্রদান করে ডিজিটাল সময় কে উৎকর্ষ সময়ে রূপান্তরিত করুন|

 

আপনি কিভাবে আপনার ছেলে/মেয়ের শারিরীক, জ্ঞানীয়, সামাজিক এবং আবেগগত বিকাশে আরো ভালভাবে সাহায্য করার জন্য পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি নিতে পারেন সেই সম্পর্কে শেখার জন্য আমাদের ওয়েবিনার দেখুন https://www.dellaarambh.com/webinars